![]() |
| পড়াশোনায় মন বসানোর উপায়। |
পড়াশোনায় মনোযোগী হওয়ার উপায়।
আসসালামুয়ালাইকুম ,সবাই কেমন আছেন।
আজ আমরা যে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করব সেটা হচ্ছে। পড়াশোনায় মন বসানো নিয়ে।
আমরা প্রতি নিয়ত , বিভিন্ন মাধ্যমে পড়াশোনার মন বসানো নিয়ে আলোচনা শুনি।
একেক জন একক পদ্বতির কথা বলে থাকেন।
তা ছাড়া আমাদের সবার,মন মানুষিগতা আলাদা আলাদা,কারো সাথে কারো মিলে না।
সবার যে উপায় গুলো কাজে আসে।
সবার একিই ,পদ্বতি কাজ নাও হতে পারে। তাই আজ আমরা এমন কিছু , পড়াশোনা মনোযোগ এর উপায় সম্পর্কে জানব।
যে গুলো আমাদের সবার জন্য কাজে আসবে ইনশাআল্লাহ।
তাই উপায় গুলো জানতে পুরো,লেখা গুলো পড়বেন।
প্রতি টা মানুষের কিছু ভালো লাগা আছে, পড়াশোনা করার পূর্বে যদি ঐ কাজ গুলো ২০/৩০ মিনিট,এর মতো করে তারপর পড়তে বসেন।
দেখবেন পড়াশোনায় করতে অনেক ভালো লাগছে। যেমন কারো কারো ছবি আঁকা।কারো কারো গল্পের বই পড়া । ইত্যাদি,
পড়াশোনা শেষ করে কিছু করার সপ্ন।
আমাদের ,পড়াশোনা শেষ করে ভালো কিছু পাওয়ার,বা করার সপ্ন থাকে।
পড়াশোনা শুরু করার আগে ঐ সপ্ন গুলো যদি ,ভাবেন, এবং কল্পনায় করেন যে আপনি ,ঐ জায়গায় যেতে চান।
তাহলে দেখবেন আপনার পড়াশোনার প্রতি কত মনোযোগ বূদ্বি পাই।
পরিবারের বাঁধা থাকা সত্ত্বেও চেষ্টা চালিয়া যাওয়ার চেষ্টা করতে হবে।
আমাদের অনেকের , পরিবারে আর্থিক অনেক সমস্যা থাকে। তবুও আমাদের পড়াশোনা চালিয়ে যেতে টাকা দেই।
পড়াশোনা করার পূর্বে যদি এমন মন
মানুষিগতা তৈরি করতে পারেন। তাহলে আপনার পড়াশোনা করতে আগ্রহ অনেক গুন বেড়ে যাবে ।
একটা জিনিস কি জানেন , আমাদের মাঝে বেশিরভাগ ছাএরা ভাবে যে, আমার friend তো অনেক বড়লোক। তাঁর এটা আছে ঐ টা আছে।
কি আছে কি নেই,তা নিয়ে কখনো মন খারাপ করবেন না।
আমার তো এগুলো নেই। আমার যদি এগুলো থাকত আমি ও পড়াশোনায় মনোযোগ দিতে পারতাম।
এরকম হাজারো কল্পনায় ভাবনায়, পড়াশোনা মনোযোগ দিতে চাই না।এটা সত্যি অনেক বোকামি।
যুগে যুগে এমন অনেক মানুষ এসে চলে গেছে
আমাদের মাঝে ।যারা ঠিকমতো খাওয়া-দাওয়া করতে পারত না তবুও, তাঁরা পড়াশোনা করেছে, বড় বড় জায়গায় স্থান পেয়েছে।
ঈশ্বর চন্দ্র বিদ্যাসাগর ,ওনি এতটাই অভাবে ছিল। রাস্তার বাতিতে বসে পড়াশোনা করেছে।
তবুও ওনি সমাজের কত বড় স্থানে পৌঁছেছে।
আমাদের মতো এত,এটা নেই ঐ টা , ভেবে ভেবে পড়াশোনা করা বন্ধ করে দেননি।
যে কোন জিনিস শিখতে হলে আগে মনকে বুঝাতে হবে।এটা আমি কেন শিখব।
যদি প্রশ্ন করি, পড়াশোনা আমরা কেন শিখব।
এখানে অনেক গুলো কারণ বলব না।
কিছু কারণ বলব যে গুলো আপনাদের জীবনে প্রভাব ফেলবে, পড়াশোনায় আগ্রহী করে তুলতে।
১, বর্তমানে পড়াশোনা ছাড়া আপনার মূল্য নেই।
২,সমাজে আপনাকে অবহেলা করবে।
৩,অমোনযোগি পড়াশোনা করলে আপনার পরিচিত কেউ কিছু জিজ্ঞেস করলে সেটার সঠিক জবাব দিতে পারবেন না। যেটা আপনার জন্য অপমানজনক কারণ হয়ে দাঁড়াবে।
আমাদের মাঝে এমন অনেক মানুষ রয়েছে যারা, কোন পড়া, আজকে না কালকে পড়বে বলে ফেলে রাখে। তাঁদের কাছে আমার প্রশ্ন ।
সময়ের কাজ সময়ে করার চেষ্টা করলে সফলতা অর্জন করা যাই।
আপনি যেই পড়াটা আজকে ফেলে রেখেছেন আগমীকালকে পড়বেন বলে।
আগামীকালের পড়াটা কে পড়বে?
জানি বলবেন এর পরের দিন!
আবার যদি প্রশ্ন করি,এর পরের দিনের পড়া কখন পড়বেন। এভাবে বলবেন কিন্তু।
পড়া শেষ হবে না।
এভাবে পড়াশোনা না করতে করতে একটা সময়, আপনার আর পড়াশোনা করতে ইচ্ছে করবে না।
আপনি হতাশায় ,জড়িয়ে যাবেন।তাই পড়াশোনায় মনোযোগী হতে হলে সবসময় ।
সময়ের কাজ সময়ে করবেন। পরে শিখব বলে কোন কাজ ফেলে রাখবেন না।
