হিসাবের ডেবিট ক্রেডিট নির্ণয়ের সহজ কৌশল।
Business Group Necessary Tips** হিসাবের ডেবিট ক্রেডিট নির্ণয়ের নিয়ামাবলি আলোচনা করা হল ! *ডেবিট ক্রেডিট কী নির্দেশ করে? #দিক নির্দেশ ।
*হিসাবের ডানদিক কে কী বুঝায়? #কেডিট * হিসাবের বাম দিক কে কী বুঝায়? #ডেবিট *Dr শব্দটি কোন কোন শব্দের সংক্ষিপ্ত রূপ?
#Debere *Cr শব্দটি কোন শব্দের সংক্ষিপ্ত রূপ? #Credere *হিসাবের ডেবিট ক্রেডিট নির্ণয়ের জন্য কয়টি পদ্বতি রয়েছে?
#২টি *ডেবিট ক্রেডিট নির্ণয়ের স্বণসুএ নামে পরিচিত কোন পদ্বতি? #হিসাবের শ্রেণিবিভাগ এর উপর ভিত্তি করে ডেবিট ক্রেডিট নির্ণয়ের সুএ সূষ্টি করা হয়েছে যা স্বণসুএ নামে পরিচিত।
*সনাতন পদ্ধতিতে হিসাবকে কয়ভাগে ভাগ করা যায়? # তিনভাগেয় ভাগ করা যায়। ১,ব্যক্তিবাচক হিসাব,,,ব্যক্তি সুবিধা গ্রহণ করলে ডেবিট।
সুবিধা প্রদান করলে কেডিট ২সম্পতিবাচক হিসাব=সম্পতি বূদ্বি/বাড়লে ডেবিট ।
সম্পতি কমলে কেডিট। ৩,নামিক হিসাব= ব্যয় বা খরচ ডেবিট, মুনাফা বা আয় কেডিট । *#আধুনিক পদ্ধতি:: আধুনিক পদ্ধতিতে স মীকরণ অনুযায়ী ডেভিট কেডিট নির্ণয় করা,হয়।
*সমীকরণটি A=E ( A= Assets ,,L= Liability আবার সম্পদের উপর বাহিরে পক্ষের দাবি বা অধিকার রয়েছে যা ।L = Liabilities,দায়।
আবার সম্পদের উপর মালিক পক্ষের দাবি বা অধিকার রয়েছে যা OE=Owner,s Equity . তাহলে সমীকরণটি দাঁড়ায় A= L+ OE. এখানে OE মালিকানা স্বত্ব আবার চারটি উপাদন ,১,C= Capital.( মুলধন) ,২,D = Drawings( উওলন) ৩, Revenues ( আয় সমূহ) ৪,E=EXPERIENCE (ব্যয়সমুহ ) .
**OE=C-D+R-E.. মালিকানা সত্বের চারটি উপাদন একসাথে করে , প্রকাশ করা হলে সমীকরনটি হবে ,, বর্ধিত হিসাব সমীকরণ। সমীকরনটি নিম্নরুপ দেওয়া হল::A=L+C-D+R-E আবার D ও E এর পাশ পরিবর্তন করলে দাড়াই,,A+D+E=L+C+R..
*** এখানে সম্পদ মালিকের উওলন ও ব্যায় , এই তিনটি উপাদানের স্বাভাবিক উদ্বূও ডেবিট ।
এই তিনটি উপাদান বাড়লে ডেবিট, কমলে কেডিট। ***দায়, মালিকের মুলধন,ও আয় এই তিনটি উপাদানের স্বাভাবিক উদ্বূও কেডিট। তিনটি উপাদান বাড়লে কেডিট,কমলে ডেবিট হয়।