তিনঘরা নগদান বই করার পদ্ধতি

সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে তিনঘরা নগদান বই রয়েছে তাই এটা খুব ভালো ভাবে শিখতে হবে ইনশাআল্লাহ। (এইচ এস সি ২০২১)। তিনঘরা নগদান বই প্রস্তুত করার প্রয়োজনীয়তা টিপস।। **নগগদ বাট্টা তিনঘরা নগদান বইতে অন্তুভুক্ত হবে। # নগদ বাট্টা হচ্ছে;::যা দেনাদারের নিকট হতে দূত অথ(টাকা) আদায় করার জন্য বিক্রেতা ক্রেতাকে দিয়ে থাকে! **তিনঘরা নগদান বইয়ে কারবারি বাটা অন্তর্ভুক্ত হয় না। *কন্টা এন্টি ,:: যে সকল লেনদেন একই সাথে নগদান হিসাব ও Bank হিসাবাকে প্রভাবিত করে সেগুলো কন্টা এন্টি। কন্টা এন্টি নং:: (১) যে সব কারণে নগদ টাকা ।কমে এবং Bank টাকা বূদ্বি পাই। **১,প্রতিষ্ঠান নগদ টাকা ব্যাংকে জমা দিলে । ২,নগদ টাকা জমা দিয়ে ব্যাংক হিসাব খোলা হলে!৩,ব্যাংক হিসাবের কেডিট ব্যালেনস্নের টাকা ব্যাংক পরিশোধ করলে। ৪, পূর্বের ব্যাংক জমাতিরিক্ত উওলন। **হিসাবকাল শেষে নগদ উদ্বূত আংশিক বা সম্পূর্ণ অংশ ব্যাংকে জমা দিলে। **নগদান বইতে জাবেদার প্রভাব;: কন্টা মানে বিপরীত ,,নগদা বইতে জাবেদা উল্টিয়ে/ বিপরীত করে লিখতে হবে। উদাহরণ এর মাধ্যমে দেখানো হল। নগদ টাকা ব্যাংকে জমা ৫০০০০ টাকা! জাবেদা করলে হয়,,ব্যাংক হিসাব ডেবিট,৫০০০০। নগদান হিসাব ক্রেডিট ৫০০০০ । *নগদান বইয়ে কন্টা দাখিলা লেখার সময়, বিপরীত হবে,,, এখানে ব্যাংক হিসাব ডেবিট পাশে কিন্তু নগদান বইয়ে ব্যাংক হিসাব ক্রেডিট পাশে বসবে,নিচে দেখানো হল।
কন্টা এন্টি নং:২,যে সকল কারণে নগদ টাকা বূদ্বি পাই এবং ব্যাংক টাকা কমে। * ব্যাবসায়ের প্রয়োজনে ব্যাংক হতে উওলন করা হল। বছর শেষে/ হিসাভকাল শেষে ব্যাংক উদ্বূতের আংশিক বা সম্পূর্ণ অংশ ব্যাবসায়ের প্রয়োজনে উওলন করা হলে। কন্টা মানে বিপরীত ,,নগদা বইতে জাবেদা উল্টিয়ে/ বিপরীত করে লিখতে হবে।।নিচেয় দেখানো হল । ভালো করে লক্ষ্য করবেন
কন্টা এন্টি বা বিপরীত দাখিলা লেখার সময় খতিয়ান পূষ্টার উভয় কলামে কন্টা বা সংক্ষেপে সি লিখে দিতে হবে।
Commerce group necessary tips

আসসালামুয়ালাইকুম ,এই Blogger টি মূলত , education related পোস্ট দেওয়া হয়।

আসসালামুয়ালাইকুম, প্রিয় সম্মানিত পাঠক , এখানে বানিজ্য বিভাগের প্রয়োজনীয় বিভিন্ন টপিক নিয়ে আলোচনা করা হয় আর ইনশাআল্লায়

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন (0)
নবীনতর পূর্বতন